ওয়াজ মাহফিলের বিষয়বস্তু ।
- মুফতি জহিরুল ইসলাম সিরাজী
(সকলের পরিচিত বক্তা ও আয়োজকদেরকে মেনশন করার অনুরোধ রইলো )
…………………………………………
মাহফিলের সীজন চলছে।
শহরে-বন্দরে, গ্রামে গঞ্জে মসজিদ, মাদরাসা ও যুবসমাজের আয়োজনে মাশাআল্লাহ অনেক মাহফিল হচ্ছে ।
তবে অধিকাংশ মাহফিলই হচ্ছে শুধুই ফরমালিটি । যাতে নেই কোনো হিদায়েত। আছে শুধু মিথ্যা বানোয়াট কিচ্ছা কাহিনী, সুরের ঝংকার আর রাত্রি জাগরন ।
তাই কিছু বিষয়বস্তু উল্যেখ করছি । বক্তারা যদি এগুলো বয়ানের সময় মাথায় রাখেন তাহলে আশা করি উম্মতের ফায়দা হবে।
আর মাহফিল কমিটি যদি বক্তাদের মাঝে বিষয়গুলো ভাগ করে দেন তাহলে তো আরো বেশি ভালো হবে ।
এগুলো শুধুই আমার চিন্তা থেকে লেখা , তাছাড়া আরো অনেক বিষয় আছে, সেগুলোকে নিষেধ করছি না ।
বিষয়বস্তুগুলোঃ
১. ঈমান কাকে বলে ? ঈমান ভঙ্গের কারনসমুহ।
২. সমাজে প্রচলিত কুফুর শিরক ।( মাজার ও ভন্ড পীরদের দরবারের অবস্থা বেশি করে বলতে হবে )
৩. আদইয়ানে বাতেলাকে চিহ্নিত করন ও তাদের ষড়়যন্ত্রগুলো ধরিয়ে দেওয়া। বিশেষ করে ঘরে ঘরে খৃষ্টানদের মেহনতের রুপ রেখা ।( তাতে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা আপনার পিছু নিবে, ভয় পাওয়া যাবে না, মজবুত তথ্য পেশ করুন।) সাথে সাথে “শিয়া, কাদিয়ানী, আহলে কুরআন ও কোয়ান্টাম মেথড” এর কথা বেশি করে বলতে হবে ।
৪. ফেরাকে বাতেলার বিস্তারিত আলোচনা ।
৫. নাস্তিকতা ।
৬. মুআমালাত ও মুআশারাত।ব্যবসা-বানিজ্য,লেন-দেন,বিয়ে-শাদি ও বিভিন্ন ক্ষেত্রের সুন্নত ও আদাবসমুহ।
৭. জিহাদের চেতনা ও স্বচ্ছ ধারনা, জিহাদ আর জঙ্গ (জঙ্গী)একই কথা , শুধু ভাষার ভিন্নতা। জিহাদ মানে সন্ত্রাস না।সন্ত্রাস ভাবলে ঈমান চলে যাবে।
(এর জন্য জেল হতে পারে, তবুও করতে হবে, এটা উম্মতের আমানত। )
৮. স্থানীয় ফেতনার নাম ধরে ধরে বেশি করে বলতে হবে । যেমনঃ সুদও সুদী ব্যবসা, জমি বন্ধক পদ্ধতি, যৌতুক প্রথা, নেশা করা, লটারী ও জুয় খেলা, বিষাক্ত মিডিয়া, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ও পর্দা সহ নানা আমলের কথা তো থাকবেই।
(পরামর্শ দেওয়ার উপযুক্ত না , তবুও দিলাম সাওয়াবের আশায়।)
nayonptk
খুতবাহ টিভি প্ল্যাটফর্মের লেখক ও গবেষক। সহীহ আকিদা ও সুন্নাহভিত্তিক দ্বীনি শিক্ষাদানে নিয়োজিত।
লেখকের সকল প্রবন্ধ দেখুনপাঠকের মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনার মতামত জানান।